জেলা যুবদলের আলোচনায় যারা
নারায়ণগঞ্জ মেইল: যেকোনো সময় ভেঙে দেয়া হতে পারে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের তিনজনের আহ্বায়ক কমিটি। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে আসতে পারে পাঁচ জনের সুপার ফাইভ কমিটি। কেন্দ্রীয় যুবদলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এমনটাই আভাস দিয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের নতুন কমিটির আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল ইসলাম সজীব, যুবদল নেতা আরিফুজ্জামান ইমন, রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাগর সিদ্দিকী, খোরশেদ আলম ভূঁইয়া সহ একাধিক নাম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৯ আগষ্ট সাদেকুর রহমান সাদেককে আহবায়ক আর মশিউর রহমান রনিকে সদস্য সচিব এবং খায়রুল ইসলাম সজীবকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটির অনুমোদন দেয় যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি। এই কমিটি গত তিন বছর ধরে তিনজনেই রয়ে গেছে। এর মাঝে তিনটি সরকার পরিবর্তন হয়ে গেছে কিন্তু জেলা যুবদল তিনজন থেকে চারজন হয়নি।
গত তিন বছর যাবত নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি পূর্ণাঙ্গ হয়নি আর নেতাকর্মীরাও পায়নি পদ পদবী। দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিজেদের মাঝে সমন্বয়ের অভাব, কমিটি বাণিজ্য আর নিজ বলয়ের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা- তিন কারণে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের কমিটি পূর্ণাঙ্গ হয় না আর নেতাকর্মীরাও পায় না তাদের রাজনৈতিক পরিচয়।
সূত্র মতে, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের বর্তমানে তিনজনের কমিটিতে তিনজনের কারো সাথেই কারো সমন্বয় নেই। ৫ আগস্ট এর পূর্বে যে কোন বড় কর্মসূচিতে তিনজন আলাদা শোডাউন করতেন। ৫ আগস্টের পরেও তিনজন তিন মেরুতে বসবাস করছেন এখনো।
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানায়, বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত তিনজন সংগঠনকে শক্তিশালী করার পরিবর্তে তিনজনই ব্যস্ত টাকা কামানো নিয়ে। বিভিন্ন ঝুট সেক্টর, বালু মহল দখলসহ হাট-ঘাট-বাজার-পরিবহনের বিভিন্ন সেক্টরে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় তিনজন ব্যস্ত। সংগঠন গতিশীল করার কোনো চেষ্টাই তাদের মাঝে দেখা যাচ্ছে না আর তাই আমরা যারা দীর্ঘদিন যুবদলের সাথে কাজ করছি কিন্তু কমিটিতে পথ পদবী পাচ্ছি না তাদের কাছে এখন যুবদলের এক একটা পদ সোনার হরিণ হয়ে দেখা দিয়েছে।
