যুবদলের কান্ডারী জোসেফকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না: সেলিম খন্দকার

নারায়ণগঞ্জ মেইল: নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও মহানগর যুবদল নেতা কেএম মাজহারুল ইসলাম জোসেফকে নিয়ে কেন্দ্র ঘোষিত একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে বন্দর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম খন্দকার এক বিবৃতিতে বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে জোসেফের নেতৃত্বে তিনি এবং অসংখ্য নেতাকর্মী রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।


তিনি দাবি করেন, কেএম মাজহারুল ইসলাম জোসেফের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরেই তার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই বিভিন্ন সময়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সেলিম খন্দকার আরও বলেন, মহানগর যুবদলের বিভিন্ন সময়ে গঠিত মন্তু-সজল এবং পরবর্তীতে সজল-সাহেদ নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে সংগঠন পরিচালিত হলেও অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রমও অনেকাংশে স্থবির হয়ে আছে।
তিনি বলেন, জোসেফের সঙ্গে অতীত সময়ে মহানগরের ২৭টি ওয়ার্ড, ৭টি ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন থানা পর্যায়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সুসম্পর্ক ও সাংগঠনিক সমন্বয় রয়েছে। ফলে তাকে সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হলে মাত্র তিন মাসের মধ্যেই তৃণমূলের ইউনিট কমিটিগুলো গঠন ও সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।
বন্দর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক এই নেতা আরও বলেন, দলকে শক্তিশালী করতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়নের বিকল্প নেই। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান।এদিকে, জোসেফকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং কেন্দ্রীয় চিঠির বিষয়টি নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। নেতাকর্মীরা বিষয়টির দ্রুত ও ইতিবাচক সমাধান প্রত্যাশা করছেন