আওয়ামী লীগের প্রার্থী বসিয়ে বিএনপি পাশ করাতেন শামীম ওসমান
নারায়ণগঞ্জ মেইল: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা সমালোচনা এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে বিগত সময়ের নির্বাচনগুলো কাটাছেঁড়া করে চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে ভোটারদের মাঝে। নাসিকের ২৭ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে এবার অসংখ্য প্রার্থী লক্ষ্য করা যাচ্ছে যারা ইতিমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক কাজের মাধ্যমে নিজেদের প্রার্থীতা জানান দিচ্ছে।
সূত্রে প্রকাশ ২০১১ সাল থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১২ এবং ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে বিএনপি’র দুই প্রার্থী যথাক্রমে শওকত হাশেম শকু এবং মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বিনা বাধায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ দুটি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী দিতেন না আওয়ামী লীগের সাংসদ শামীম ওসমান। বরং এ দুটি ওয়ার্ডে নিজ দলের প্রার্থী কেউ দাঁড়াতে চাইলে তাদেরকে বসিয়ে দিতেন যাতে করে শকু এবং খোরশেদ নির্বিঘ্নে পাস করতে পারে।
সূত্র বলছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ওয়ার্ড হচ্ছে ১২ এবং ১৩ নং ওয়ার্ড। কারণ এ দুটি ওয়ার্ডেই অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ শহর। শহরের প্রাণকেন্দ্রের এই দুটি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী থাকলেও তাদের চেয়ে বিএনপি’র প্রার্থীদের বেশি পছন্দ করতেন গডফাদার শামীম ওসমান। আর তাই নিজ দলের প্রার্থীদের কখনো এ দুটি আসনের দাঁড়াতে দিতেন না।
এ দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদেরকে স্বাচ্ছন্দে বিজয়ী করতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের চেয়েও বিএনপি’র এই দুই কাউন্সিলর শামীম ওসমানের বেশি আস্থাবাজন ছিলেন। তাই প্রতিটি নির্বাচনে খালি মাঠে গোল করেছেন শকু ও খোরশেদ।
