মাদকের পর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নামছে পুলিশ: এসপি
নারায়ণগঞ্জ মেইল:নারায়ণগঞ্জে যোগদানের পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। তার সরাসরি নির্দেশনায় জেলার সাতটি থানায় একযোগে চলছে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাসে শুধু মাদকবিরোধী অভিযানেই আট শতাধিক মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, বন্দর, সদর, রূপগঞ্জ, সোনারগাঁও ও আড়াইহাজার থানার চিহ্নিত স্পটগুলোতে ডিবি ও থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। পুলিশ সুপার নিজেই প্রতিটি অভিযান মনিটরিং করছেন।
তবে এবার মাদকের পর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে বলে জানাগেছে।
গত দুই বছরে স্ট্যান্ড দখল, চাঁদাবাজি ও ঝুট ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত সেইসব অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। তবে এবার সেইসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযানে নামার পরিকল্পনা নিয়েছে জেলা পুলিশ।
স্থানীয়রা বলছেন, এসপি হাবিবুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ফতুল্লার বালুর মাঠ, ইসদাইর, বন্দর, সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী এলাকাসহ মাদকের হটস্পটগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
জেলা পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, মাদকের পর এবার জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বড় ধরনের অভিযানে নামার পরিকল্পনা নিয়েছেন পুলিশ সুপার। বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা ও বন্দর এলাকায় যেসব অবৈধ অস্ত্রধারীর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, তাদের তালিকা করে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের বিশেষ অভিযান চলছে। মাদকের মতো অবৈধ অস্ত্রও সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর। অপরাধী যেই হোক, তার কোনো দল নেই। নারায়ণগঞ্জকে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রমুক্ত করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। ইতিমধ্যে অস্ত্রধারীদের তালিকা করা হচ্ছে।
সচেতন মহলের মতে, মাদকের পর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান শুরু হলে নারায়ণগঞ্জে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে এবং ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।
