ইউনিট কমিটির ব্যর্থতা নিয়েই শেষ হচ্ছে সজল-সাহেদ অধ্যায়

নারায়ণগঞ্জ মেইল: নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি যেকোনো সময় ভেঙ্গে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। আগের দুই কমিটির মতো মনিরুল ইসলাম সজল ও সাহেদ আহমেদের নেতৃত্বাধীন মহানগর যুবদলের বর্তমান কমিটি তার আওতাধীন ইউনিট কমিটি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতার দায় নিয়েই মহানগর যুবদলে সমাপ্ত হচ্ছে সজল-সাহেদ অধ্যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আওতায় রয়েছে সদর, বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এবং বন্দর উপজেলা ইউনিট। রয়েছে সাতটি ইউনিয়ন এবং সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ড কমিটি। এতগুলো কমিটির মধ্যে মাত্র দুটি ইউনিয়ন কমিটি ঘোষনা করেছে বর্তমান মহানগর কমিটির নেতারা। বাকি ইউনিট গুলোতে দীর্ঘদিন কোনো কমিটি নেই। মহানগর যুবদলের কমিটিতে বারবার রদবদল হলেও এসব ইউনিট কমিটির পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের মনের আশা আর পূরণ হয়না। অনেক নেতাকর্মী হতাশ হয়ে যুবদলের রাজনীতি ছেড়ে বিএনপির মূল দলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে গেছেন। বাকি যারা দীর্ঘদিন যাবত একটি রাজনৈতিক পরিচয়ের আশায় রাজপথে লড়াই সংগ্রাম করে যাচ্ছেন তাদের সকলের একটাই দাবি আর তাহলো যত দ্রুত সম্ভব ইউনিট কমিটিগুলো গঠন করে সংগঠনকে আরো গতিশীল করা এবং দীর্ঘদিনের কমিটি খড়া ঘুচিয়ে তৃণমূলের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে দেয়া।

তৃণমূলের এই দাবি মহানগর যুবদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা পূরণ করতে সক্ষম হননি। মনিরুল ইসলাম সজল ও শাহেদ আহমেদের নেতৃত্বে প্রথমে ৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা হলেও পরে তা ৫১ সদস্যে পরিপূর্ণ হয়। এ সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকবার ইউনিট কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সম্মেলনের আয়োজন করা হলেও অদৃশ্য কারণে মাঝপথে তা বন্ধ হয়ে যায়। মহানগর যুবদলের অন্তর্গত থানা, উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা কমিটির অভাবে পরিচয়বিহীন রয়ে যায়।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৯ আগষ্ট মনিরুল ইসলাম সজলকে আহবায়ক, সাগর প্রধানকে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সাহেদ আহমেদকে সদস্য সচিব করে ঘোষনা করা হয় মহানগর যুবদলের তিন সদস্যের আহবায়ক কমিটি। প্রায় দেড় বছর তিনজন দিয়ে মহানগর যুবদলের কমিটি চলার পরে ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি ৫১ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।