সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাকির, নূর মোহাম্মদ ও মনির
স্টাফ রিপোর্টার: সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফতুল্লা থানাধীন টাগারপাড় এলাকার মনির, জাকির এবং নুর মোহাম্মদ। তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন দাবি করেছেন তারা। সেইসাথে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলেও জানিয়েছেন তারা।
মোঃ জাকির বলেন, আমি পরিবারের ৪ ভাইয়ের মাঝে সবচেয় বড়। ছোটবেলায় বাবা হটাৎ অসুস্থ হয়ে পরে,বড় হওয়ার সুবাদে কিশোর বয়স থেকে পারিবারের তাগিদে উপার্জন করতে নামি। আমার বয়স যখন ১২ তখন থেকেই পরিবারের হাল ধরার চেষ্টা করি,পরবর্তীতে আমি সৌদি ও যথাক্রমে দুবাই যাই কর্মের আশায়। এবং আমি সেখান থেকে আমার মায়ের একাউন্টে ষোল লাখ সাতাশ হাজার তিনশত (১৬,২৭,৩০০) টাকা বিভিন্ন সময়ে পাঠাই,যার ব্যাংকের যথাযথ কাগজ আমার কাছে আছে,এবং আমি প্রবাস থেকে ফেরার সময় প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ন নিয়ে আসি যেটা আমি আমার মায়ের কাছে রক্ষিত রাখি।পরবর্তীতে আমার ছোট ভাই মোহাম্মদ হোসেন, আলী হেসেন ও বোন জেসমিনের যোগসাজশে মায়ের কাছে থাকা আমার অর্থ ও স্বর্নলংকার আত্মসাৎ করে। আমি তাদের কাছে আমার হিসাব চাইলে তারা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জমি সংক্রান্ত বিরোধের সূচনা করে। এবং আমার বিরুদ্ধে নানারকম মিথ্যা অপবাদ ছড়াতে থাকে, যেন আমি এই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাই। এবং আমার বিরুদ্ধে ছোট ভাই মোহাম্মদ হোসেনের শশুরবাড়ীর লোকজন মারফত একটি মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে। যেখানে আমাদের বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ দিলেও সুনির্দিষ্ট কোন তথ্যা,প্রমান নেই। এবং এই সংবাদদাতা এইসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই স্বার্থে আমার সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ ছাড়াই সংবাদ প্রকাশ করে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
নূর মোহাম্মদ জানান, আমি একজন ব্যবসায়ী। জাকির ও মনির এরা আমার প্রতিবেশী, এবং মোহাম্মদ হোসেন তাদের ভাই মূলত এই আলী হেসেন গং মাদকসেবী। গত ২৯/০৯/২০২৬ তারিখে এই মোহাম্মদ হোসেন মাদকের টাকার জন্য তাদের ভাইদের সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়, এবং তাদের জখম করে। আমি প্রতিবেশী হওয়ার কারনে সেখানে যাই এবং তাদের ঝগড়া সমাধানের চেষ্টা করি এবং আহত জাকির ও মনিরকে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলে এই মোহাম্মদ হোসেন আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়। আমাকে মাদক দিয়ে ফাসানোর হুমকি দেয়। পরিবর্তীতে আমি ২৯/০৯/২০২৬ ইং এই বিষয়ে ফতুল্লা থানায় সাধারণ অভিযোগ করি,(জিডি নং-২৮৪২)।
পরবর্তী তারা ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে আমার বিরুদ্ধে মাদক কারবারি একটি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে,যা সম্পূর্ন মিথা ও বানোয়াট। আমার বিরুদ্ধে এলাকায় অথবা প্রশাসনে কথাও কোন অভিযোগ নেই।
নূর হোসেন আরো জানান, আমি কখনোই কোন প্রকার মাদকের সাথে জরিত ছিলাম না, বরং এই মোহাম্মদ হোসেন গং এরাই মাদকসেবী পুরো এলাকা তাদের সম্পর্কে জানে। আমি তাদের ও আমার ডোপ টেষ্টের চ্যালেন্জ জানাচ্ছি, তাহলেই সব পরিস্কার হয়ে যাবে। আমার কোনরুপ বক্তব্য ছাড়াই এরুপ মিথ্যা ও বানোয়াট নিউজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানচ্ছি।
মনির জানান, আমি ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি বড় ভাই আমাদের জন্য তার পুরো জীবনটা প্রবাসে কাটিয়েছেন। আমার বাবা একবার দূর্ঘটনার শিকার হয়ে বেশকিছু দিন শয্যাশায়ী ছিলেন,তখন আমার বড়ভাই পরিবারের হাল ধরেন। আমাদের বাড়ির জমিটি সবার নামে আলাদা, এখানে কোনরুপ ঝামেলা নেই। কিন্তুু আমি জানতে পারি বড় ভাইয়ের সমস্ত সঞ্চয় আমার অন্য ভাইবোনেরা আত্মসাৎ করেছে, আমি এর প্রতিবাদ করাতে এরা আমার উপরেও ক্ষিপ্ত হয়। এবং আমার বিরুদ্ধে নানারকম ষড়যন্ত্র করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা তিন ভাই একসাথেই থাকি, কিন্তুু মোহাম্মদ হোসেন ও আলী হোসেন তারা আমার চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে, এবং বাড়িতে আমার সঠিক অংশ বুঝিয়ে দিতে তালবাহানা করছে, এবং আমার পাওনা টাকা দিতেও তারা অস্বীকৃতি জানায়। গত কয়েকদিন আগে একটি সংবাদ মাধ্যমে দেখলাম আমাদের সন্ত্রাসী মাদকব্যবসয়ী আখ্যা দিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে এই সংবাদকর্মী একবার আমাদের বিভিন্ন অপবাদ দিচ্ছে আবার বলছে উপযুক্ত প্রমান পাওয়া যায়নি। তাহলে এখানে আমার প্রশ্ন হল প্রমান পাওয়া না গেলে ঐ সংবাদদাতা কিসের ভিত্তিতে আমাদের বিরুদ্ধে এরুপ গুরতর অভিযোগ করল। এমনকি সেই সাংবাদিক আমাদের বক্তব্যও নেয়নি, অথচ ওনি আমার ভাইয়ের শশুরবাড়ীর অত্মীয়। তাহলে কি ব্যক্তিস্বার্থেই এমন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, এর ফলে আমি সমাজে সম্মানহীনতায় ভুগছি।
আমি এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই,আমি চাই এই সংবাদ মাধ্যম তাদের এই ভুলগুলো সংশোধন করে সত্যটা তুলে ধরবেন,নয়তো আমি এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে বাধ্য হব
