নারায়ণগঞ্জ মেইল: ঘটনা বহুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপি ধানের শীষের প্রার্থীরা বিজয়ী হলেও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত জোট নেতৃত্বাধীন এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন জয়লাভ করেন। এখানে বিএনপির একাধিক প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপিতে এই আসনটি হারাতে হয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আলাপ-আলোচনা। নাসিক নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির একাধিক প্রার্থী মাঠে আছেন। তবে যাচাই-বাছাই করে একক প্রার্থী দিতে না পারলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মতো নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদটিও হারাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, শিল্পপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ ওরফে মডেল মাসুদ এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব ওরফে ভিপি রাজিবের নাম শোনা যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য।
অনুসন্ধান বলছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দেয়া না হলে বিএনপির একাধিক প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে দলীয় ভোট বিভক্ত হয়ে অন্য দলের প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। তাই সকল প্রার্থীদের মাঝে সমন্বয় করে যে কোনো একজনকে মেয়র পদে দলীয় সমর্থন প্রদানের জন্য হাই কমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তা না হলে ফতুল্লার মত নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়রের চেয়ারটিও অন্যদের দখলে চলে যেতে পারে।
