নারায়ণগঞ্জ মেইল: শেষ হয়েছে বহু জল্পনা-কল্পনার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জে-৫ আসনে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট আবুল কালাম। তবে দেয়াল ঘড়ির প্রতীকের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সিরাজুল মামুনের সাথে তার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের দুই বিএনপি নেতা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর শওকত হোসেন শকু এবং মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়। তাদের উভয়েরই রয়েছে একটা বড় ভোটব্যাংক। যেই ভোট ব্যাংকের কল্যাণে গত ২৩ বছর যাবত তারা স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে রাজত্ব করে যাচ্ছেন কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য এবারের জাতীয় নির্বাচনে শকু এবং খোরশেদের সেই ভোট ব্যাংকে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট আবুল কালাম ফেল করেছেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দেয়াল ঘড়ির সিরাজুল মামুন বিপুল ভোটে পাস করেছেন। বিশেষ করে খোরশেদের আদর্শ স্কুল কেন্দ্র এবং শওকত হাশেম হাসেম শকুর বার একাডেমী স্কুল কেন্দ্রে ধানের শীষের ভরাডুবি হয়েছে।
আদর্শ স্কুল (কেন্দ্র-২) ধানের শীষ পেয়েছে ৬৪৭ ভোট আর দেয়াল ঘড়ি পেয়েছে ১০৯৪ ভোট। আদর্শ স্কুল (কেন্দ্র-৩) ধানের শীষ পেয়েছে ৭৭৯ ভোট আর দেয়াল ঘড়ি পেয়েছে ১০১৩ ভোট।আদর্শ স্কুল (কেন্দ্র-৪) ধানের শীষ পেয়েছে ৬৪০ ভোট আর দেয়াল ঘড়ি পেয়েছে ৮৩১ ভোট।
বার একাডেমী (কেন্দ্র -১) ধানের শীষ পেয়েছে ৭১৯ ভোট আর দেয়াল ঘড়ি পেয়েছে ৮৮৯ ভোট। বার একাডেমী (কেন্দ্র-২) ধানের শীষ পেয়েছে ৬৬৬ ভোট আর দেয়াল ঘড়ি পেয়েছে ৭১১ ভোট।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এ নিয়ে সমালোচনা ঝড় বয়ে যাচ্ছে নেতাকর্মীদের মনে। অনেকে মনে করছেন একজন শিল্পপতির ইশারায় খোরশেদ এবং শকুর ভোটব্যাঙ্ক ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেনি। এমনকি নির্বাচনের আগেও প্রচার-প্রচারনায়ক তাদের দুজনকে তেমন একটা সোচ্চার দেখা যায়নি।
