নারায়ণগঞ্জ মেইল: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল আকাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতিমধ্যে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে, এখন শুধু ভোট গ্রহণের অপেক্ষা। বিশেষজ্ঞ মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রার্থীদের মধ্যে কে এগিয়ে কে পিছিয়ে তা নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।
নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী আসন হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন। ফতুল্লা থানার পাঁচটি ইউনিয়ন এবং সদর থানার দুটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে সবচেয়ে জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছেন সকলে। নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে হেভিওয়েট প্রার্থীগণ এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে।
এ পর্যন্ত চলা প্রচার-প্রচারণা এবং ভোটের হিসেব-নিকেশে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি সমর্থিত জোট প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী অনেকটাই পিছিয়ে আছেন। আর এই পিছিয়ে পড়ার মূল কারণ সাবেক তিন বিএনপি নেতার স্বতন্ত্র নির্বাচনে অংশ নেয়া। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি মোঃ গিয়াসউদ্দিন, সাবেক এমপি ও ব্যবসায়ী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ শাহ আলম এই আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন কিন্তু মনোনয়ন লাভে ব্যর্থ হয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন।
এই তিন হেভিওয়েট নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামা ইসলাম দলের মুফতি মনির হোসেন কাসেমী রীতিমতো কোণঠাসা অবস্থায় আছেন। এই আসনে বিএনপির ভোট চার ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে আর এর পূর্ণ সুবিধা চলে যাচ্ছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় জোট মনোনীত এনসিপির প্রার্থী এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনের ঘরে। বিএনপি’র এই বিভক্তি সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে এনসিপির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিনকে। নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটের হিসাবে তিনিই এগিয়ে আছেন।
