জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আনোয়ার প্রধান

নারায়ণগঞ্জ মেইল: শেষ হলো বহুল আকাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। একটি সফল জাতীয় নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপর শুরু হয়ে গেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এইচএম আনোয়ার প্রধান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে তুমুল জনপ্রিয় উদীয়মান বিএনপি নেতা এডভোকেট আনোয়ার প্রধান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একজন হেভিওয়েট প্রার্থী। বিগত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে চালিয়ে গেছেন তিনি। অসংখ্য মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে বাড়িঘর ছেড়ে দিনের পর দিন পালিয়ে থেকেছেন, জেল খেটেছেন অসংখ্যবার তবুও স্বৈরাচারের সাথে আপোষ করেননি।

২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজপথে থেকে লড়াই করেছেন এই অকুতোভয় যোদ্ধা। শত্রুর বুলেটের সামনে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন তবুও পিছন ফিরে যাননি।

রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ আদালত পাড়ায় ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন তরুণ আইনজীবীদের আইকন অ্যাডভোকেট আনোয়ার প্রধান। নারায়ণগঞ্জের আইনজীবীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে গেছেন যে কয়জন সাহসী আইনজীবী তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এইচএম আনোয়ার প্রধান।

অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতিও দখল করে নিয়েছিলো আওয়ামঅলীগের সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় এমপি শামীম ওসমানের সন্ত্রাসী বাহিনী সাধারণ আইনজীবীদের সকল অধিকার হরণ করে আইনজীবী সমিতিতে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বহিরাগত সন্ত্রাসী আর পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে সকল বিরোধী মত দমন করে ফিল্মি ষ্টাইলে ভোট কেন্দ্র দখল করতেন এবং ভোট ডাকাতির মাধ্যমে আওয়ামীলীগের প্যানেলকে বিজয়ী করেছেন। ভোট দিতে গিয়ে সাধারণ আইনজীবীরা লাঞ্ছিত হয়েছেন, সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছেন, একজন আইনজীবী হিসেবে তাদের অধিকার ভুলন্ঠিত হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ বারের আইনজীবীদের সেই চরম দুঃসময়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন এডভোকেট এইচএম আনোয়ার প্রধান। এজন্য স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর রোষানলেও পড়তে হয়েছে তাকে। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা নির্বাচনের দিন আদালত পাড়া থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় তাকে। তবুও কোনদিন লড়াইয়ের মাঠ ছেড়ে যাননি। আইনজীবীদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন।

নারায়ণগঞ্জের রাজপথ কিংবা আদালত পাড়া সবখানেই সমান বিচরণ ছিল এই উদীয়মান বিএনপি নেতার। লড়াই সংগ্রাম করে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘ সময় নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে অনবদ্য অবদান রাখা এই বিএনপি নেতা এবার জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। সকলের ভালোবাসা আর দোয়া কামনা করেছেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জ মেইলে এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

সর্বশেষ